কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল ভূঁইয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে সংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
জানা যায়, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও আলোচনায় রয়েছেন।
আর পড়ুন :
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপি থেকে বহিষ্কার শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ।কিশোরগঞ্জ-৫
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, সোহেল ভূঁইয়া শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের সমর্থক ছিলেন।
দল থেকে তাকে বহিষ্কারের প্রতিবাদ জানিয়েই তিনি ছাত্রদল থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সোহেল ভূঁইয়া উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি নিজে ৫টি মামলার আসামি হন।
এছাড়া তার ছোট ভাই শাকিল ১টি, বড় ভাই রুবেল ভূঁইয়া ৬টি, বাবা জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া ৪টি এবং দাদা নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া ৩টি মামলার শিকার হন।
এসব মামলায় তাকে ও তার পরিবারকে দীর্ঘদিন জেল খাটতে হয়েছে এবং বাড়িছাড়া থাকতে হয়েছে।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, কারাবন্দি অবস্থায় শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও তার ছেলে শেখ রাফিদ আহমেদ তাকে ও বাজিতপুর-নিকলীর নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং একাধিক মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনের সময় উপস্থিত ছিলেন।
তার ভাষায়, “মানুষের সবচেয়ে বড় আদালত হলো বিবেক। দুর্দিনে পাশে থাকা মানুষকে ছেড়ে যাওয়া বেইমানি।”
তিনি অভিযোগ করেন যে, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে প্রথমে মনোনয়নের ঘোষণা দেওয়া হলেও পরে সদ্য যোগদানকারী অন্য দল থেকে আসা একজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়, যা একজন তৃণমূল কর্মী হিসেবে তিনি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।
এর প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি অথবাজিতপুর উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন বলে জানান।
এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদল বা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।